পবিত্র মাহে রমযানের শিক্ষা

1850


পবিত্র মাহে রমযানুল মোবারকের আজ ২য় দিন। করোনা ভাইরাস সহ সকল প্রকার বালা মুছিবত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মহান আল্লাহর নিকট আমরা বিনয়ের সহিত দোয়া করব। যেন আল্লাহ আমাদেরে সকল বিপদ থেকে উদ্ধার করেন। হাদিসে পাকে আল্লাহর রাসূল (সঃ) ফরমান, 
‘‘রমযান মাস হল পরস্পর (ধনী-গরীবের) মধ্যে আন্তরিকতা সৃষ্টির মাস’’। 
ধনী-গরীব কিন্তু আল্লাহ কতৃক সৃষ্ট, আল্লাহ কাউকে ধন দিয়ে ধনী বানিয়ে পরীক্ষা করেন, সে আল্লাহর দেওয়া সম্পদ আল্লাহর রাস্থায় যথাযথ খরচ করে কিনা। পাশাপাশি কাউকে গরীব এবং  ফকীর বানিয়ে পরীক্ষা করেন, সে সম্পদ না পেয়ে সবর বা ধৈর্য্যধারন করে কিনা।  ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক প্রত্যেক সাবালক মুসলিম নর-নারীর উপর মাহে রমযানের রোযা রাখা ফরজ। কোনো ব্যক্তি যদি মাহে রমযানের রোযা না রেখে লক্ষটাকা সদকা করে তবুও তার রোযা আদায় হবে না। তাকে অবশ্যই রোযা রাখতে হবে। এর কারণ হল আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক সাবালক ব্যক্তিকে একটি দিন উপোষ রেখে একথা বোঝাতে চান যে, না খেয়ে থাকার মধ্যে কি কষ্ট। গরীব অসহায় যারা না খেয়ে দিনাতিপাত করে, তারা কি পরিমান কষ্ট করে তা একজন ধনী ব্যক্তিকে হাতে কলমে বোঝাবার জন্য আল্লাহতায়ালা এ ব্যবস্থাটি প্রবর্তন করেছেন। যেন গরীবের প্রতি ধনী ব্যক্তিদের মহব্বত পয়দা হয়।