মসজিদগুলোতে তারাবির জামাতের ভিন্ন চিত্র

520

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে মাহে রমজান উপলক্ষ্যে শুক্রবার পবিত্র তারাবির নামাজের জামাতে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে শহরের অধিকাংশ মসজিদে। অন্য বছরগুলোতে যেখানে মাসব্যাপী তারাবির এ জামাত মসজিদ ছাড়িয়ে রাস্তা বা সামনের খোলা অংশে বিস্তৃত হতো, সেখানে এবার সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মুসল্লির উপস্থিতি থাকছে মাত্র ১২ জন করে। তাও আবার বাইরের কোনো সাধারণ মুসল্লি এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না, সংশ্লিষ্ট খতিব, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেম ও হাফেজদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে। তাছাড়া বেশিরভাগ মসজিদে খতম তারাবি অনুষ্ঠিত হলেও এবার তা হচ্ছে না। স্বল্পসংখ্যক মুসল্লির কারণে সুরা তারাবি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুক্রবার দেশের আকাশে হিজরি ১৪৪১ সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায় বলে ঘোষণা দেয় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। ফলে শনিবার থেকে রমজান মাস শুরু হচ্ছে। আর রোজা পালনের পূর্ব প্রস্তুুতির অংশ হিসেবে শুক্রবার এশার নামাজের পর তারাবিহ আদায় এবং শেষ রাতে সেহরি খাওয়ার মধ্য দিয়ে সিয়াম সাধনার প্রক্রিয়া শুরু করেন ধর্ম প্রাণ মুসলমানরা। করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার তারাবির নামাজ সম্পর্কে বৃহস্পতিবার বিশেষ নির্দেশনা জারি করে ধর্মমন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, পবিত্র মাহে রমজানে এশার জামায়াতে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব, খাদিম এবং ২ জন হাফেজসহ সর্বোচ্চ ১২ জন অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এশার জামায়াত শেষে এ ১২ জনই মসজিদে তারাবির নামাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। অন্যান্য মুসল্লীগণ নিজ নিজ ঘরে এশা ও তারাবি নামাজ আদায় করবেন। সকলেই ব্যক্তিগতভাবে তিলাওয়াত, যিকির ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বিপদ মুক্তির প্রার্থনা করবেন। সরকারি এ নির্দেশনা অনুযায়ী শুক্রবার চাঁদ দেখার খবর জানার পর এশার নামাজের আজানের আগেই বিভিন্ন মসজিদ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয় যে-আপনারা মসজিদে না এসে বাসায় তারাবি আদায় করুন। এদিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ, সওদাগর জামে মসজিদে খতমে তারাবি অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া অধিকাংশ মসজিদ গুলোতে নির্দেশনা মেনে ১২ জন মুসল্লি নিয়েই প্রথম তারাবির জামাত অনুষ্ঠিত হয়।