রমযানের শেষ দশকে রাত্রি জাগরণ

হযরত আয়েশা (রা) হতে বর্নিত তিনি বলেন, যখন রমজানের শেষ দশক উপস্থিত হতো , নবী করীম (সাঃ) কাপড় শক্ত করে বাধতেন, রাত্রি জাগরণ করতেন ও পরিবারের সদস্যদের জাগিয়ে তুলতেন। ’’ 
অন্য এক হাদিসে হযরত আয়েশা (রা) হতে বর্নিত তিনি বলেন, নবী করিম (সাঃ) রমযানের শেষ দশকে এমন মুজহাদা করতেন, যা তিনি অন্য সময় করতেন না।’’  
মহানবী (সাঃ) এর সমস্ত গুনাহ মাফ হওয়া সত্বেও সারা রাত জেগে আল্লাহর ইবাদত করা মানে আমাদের শিক্ষার জন্য, যাতে আমরা সারা রাত জেগে থেকে ইবাদত করি । এ সময়ে মহানবী (সাঃ) স্ত্রীদের সঙ্গ ত্যাগ করতেন এর অর্থ হল যাতে বেশী বেশী আল্লাহর যিকির আযকার করা যায়। রমযানের শেষ দশকে রাত্রি জাগরণ এবং বেশী বেশী ইবাদাত করা মোস্তাহাব। শেষ দশকে রাত্রী জাগরণের একটি বড় উদ্দেশ্য হল যাতে কোনো ক্রমেই শবে কদর ছুটে না যায়। লাইলাতুল কদরের আলামত সম্পর্কে ইবনে হিববান বলেন, 
“লাইলাতুল কদরের দিন সূর্য উদিত হবে সাদা, তার কোনো কিরণ থাকবেনা, যেন তার আলো মুছে দেওয়া হয়েছে।’’ 
আমরা সকলে দোয়া করব যেন আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের নসীবে লাইলাতুল কদরের সোয়াব দান করেন্ । আমীন