রমযানে মিসওয়াক করার ফজিলত

রমযানে মিসওয়াক করার ফজিলত
রমযানে মিসওয়াক করার ফজিলত

আজ ১৭ রমযান, ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধ আজকের দিনে অনুষ্ঠিত হয়। তাই আজকের এ দিনকে বদর দিবস বলা হয়। যারা ইসলামী আন্দোলনের সাথে জড়িত তারা এ দিবসটিকে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে উদযাপন করেন। আমরা সবাই জানি, মহানবী (সাঃ) বলেছেন, 
‘‘পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ’’ 
কিন্তু মানার বেলায় অধিকাংশই নেই। অর্থাৎ শুধু মুখে মুখে বলি, কিন্তু নিয়ম মাফিক পবিত্র থাকিনা। আল্লাহ তায়ালা বলেন,‘‘ আমি তোমাদেরকে যা রিযিক দিয়েছি তা থেকে পবিত্র বস্তু ভক্ষন কর।’’ এ আয়াত খানা অনেকেই জানি কিন্তু মানার বেলায় আমরা নেই। যা পাই তাই খাই, কোনো প্রকার সুদ, ঘুষ, বৈধ, অবৈধ, হালাল হারামের তমিজ নেই। এক হাদিসে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেন,
‘‘যদি আমার উম্মতের উপর কষ্টদায়ক না হত , তাহলে আমি প্রত্যেক নামাজের সময় তাদেরকে অবশ্যই মিসওয়াকের নির্দেশ দিতাম।’’  
উম্মুল মু’মেনীন হযরত আয়েশা (রা) হতে বর্নিত, রাসুল করিম (সাঃ) ফরমান, মিসওয়াক মুখ পবিত্র রাখা এবং আল্লাহকে সন্তুষ্ট রাখার বস্তু।’’ 
আজ করোনা ভাইরাস সহ বিভিন্ন রোগের একটি উল্লেখযোগ্য কারণ হল অপবিত্রতা। রাসুল (সাঃ) শুধু পরিস্কার থাকার জন্যই বলেননি বরং পবিত্রতা অর্জন করতে বলেছেন। কারো কাপড় চোপড় সব পরিস্কার কিন্তু অযু নেই, সে যেমন নামায পড়তে পারবেনা ঠিক তেমনিভাবে আমাদের শুধু পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকলেই হবেনা বরং পরিস্কারের সাথে সাথে পবিত্রও হতে হবে এবং শুধু দেহই নয় বরং মনও পবিত্র হতে হবে। শুধু পরিস্কার থাকলেই  যদি রোগ মুক্ত থাকা যেত তাহলে বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রধানরা অসুস্থ হওয়ার কথা নয়। তারা আমাদের চাইতে কম পরিস্কার থাকেন না। অতএব শুধু পরিস্কার নয় বরং মন এবং দেহ পরিস্কারের সাথে সাথে পবিত্র হতে হবে। খাবারের বেলায়ও আল্লাহ আমাদেরকে পবিত্র বস্তু ভক্ষন করতে বলেছেন। অতএব আমরা পবিত্র বস্তু ভক্ষন করব, অপবিত্র বস্তু যেমন শুকর, বাদুর, সাপ, বিচ্ছু, ব্যাঙ্গ, বিষাক্ত পোকা-মাকড় ইত্যাদি ভক্ষন করবনা । এগুলো ভক্ষন করলে কি লাভ তা এখন বিজাতিরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। আল্লাহ আমাদেরকে পবিত্র বস্তু ভক্ষন করার তৌফিক দান করুক। আমীন।