রোযাদার বেহেশতের রাইয়ান দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে

আজ ১৮ রমযান। আজকের এ ঐতিহাসিক দিনে হযরত ঈসা (আ) এর উপর পবিত্র ইঞ্জিল কিতাব নাজিল হয়। ইমাম মুহাম্মদ আলী তকি (র) এ তারিখেই জন্ম গ্রহন করেন। রোযাদার ব্যক্তির সম্মান বুঝাতে মহানবী (সাঃ) অনেক হাদিস বর্ননা করেছেন। তন্মধ্যে একটি হাদিস হল যাহা সাহাল ইবনে সা’দ থেকে বর্নিত, হুজুর আকরাম (সাঃ) ফরমান, 
‘‘জান্নাতে আটটি দরজা, তাতে একটি দরজাকে ‘‘রাইয়ান’’ বলা হয়, তা দিয়ে রোজাদার ব্যতিত কেউ প্রবেশ করবেনা।’’ 
তিরমিজী শরীফে আছে  রাসুল (সাঃ) বলেন, ‘‘জান্নাতে একটি দরজা আছে, যাকে রাইয়ান বলা হয়। তার জন্য রোযাদারকে আহবান করা হবে। যে রোযাদারের অর্ন্তভুক্ত হবে সে তাতে প্রবেশ করবে। যে তাতে প্রবেশ করবে সে কখনো পিপাসার্ত হবেনা ।’’ 
উল্লেখিত হাদিসে মাহে রমযানের রোযা গুলোর তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে। এও বলা হয়েছে যে, যারা রাইয়ান দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে তাদেরকে আর কখনও পিপাসা ধরবেনা। অপর এক হাদিসে হযরত আবু হোরাইরা (রা) হতে বর্নিত, 
রাসুল করিম (সাঃ) ফরমান, ‘‘আল্লাহর রাস্তায় যে দুটি জিনিস খরচ করল, তাকে জান্নাতের দরজা সমুহ থেকে ডাকা হবে, হে আব্দুল্লাহ! এটা কল্যান। যে সালাত আদায় কারী তাকে সালাতের দরজা হতে ডাকা হবে। যে মোজাহিদ তাকে জিহাদের দরজা থেকে ডাকা হবে। যে রোযাদার তাকে রাইয়্যান দরজা হতে ডাকা হবে। যে দানশীল তাকে সদকার দরজা হতে ডাকা হবে। 
আবু বকর (রা.) বললেন হে আল্লাহর রাসুল ! আমার পিতামাত আপনার উপর কুরবান হোক, যাকে এক দরজা থেকে ডাকা হবে, তার বিষয়টি পরিস্কার, কিন্তু কাউকে কি সকল দরজা দিয়ে ডাকা হবে? তিনি বললেন, হাঁ, আমি আশাকরি তুমি তাদের অর্ন্তভুক্ত। ’’ 
উল্লেখিত হাদিসের প্রতি খেয়াল রেখে আমরা রোযার হক আদায় করে মাহে রমযানের রোযাগুলো রাখার চেষ্টা করব।