ঈদে গণপরিবহন বন্ধ নিয়ে বিভ্রান্তি

ঈদে গণপরিবহন চলা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। ঈদের আগে ৫ দিন ও ঈদের পরে ৩ দিন গণপরিবহন নয়, পণ্যবাহী সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে। তবে এর আগে ফেরিতে গণপরিবহন পারাপার বন্ধের যে সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল তা ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল বুধবার নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে লঞ্চ, ফেরি ও অন্যান্য জলযান সুষ্ঠুভাবে চলাচল, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। তিনি ঢাকায় অবস্থানরত কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি এবং ঢাকার বাইরের কর্মকর্তাদের সাথে জুম অ্যাপসের মাধ্যমে আলোচনা করেন। ঈদের আগে ৫ দিন ও পরের ৩ দিন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও কোরবানির পশুবাহী ট্রাক ব্যতীত সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়। সূর্যাস্তের পর সব ধরনের মালবাহী জাহাজ, বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। ঈদের আগে ৫ দিন ও পরের ৩ দিন পর্যন্ত দিনের বেলায়ও সব বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আগে সভার শুরুতে ঈদুল আজহার আগে ৫ দিন ও পরে ৩ দিন গণপরিবহন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছিলেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তখন তিনি বলেছিলেন, সরকারের পক্ষ থেকে একটা প্রজ্ঞাপন পেয়েছি আমরা। সেই আলোকেই আমরা পদক্ষেপ নেব। তাই যারা ঈদে যেতে চায় তাদের ৫ দিন পূর্বেই যেতে হবে এবং যারা আসতে চায় তাদের ৩ দিন পরে আসতে হবে। তবে সভা শেষে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর আগে বিষয়টি নিয়ে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। ঈদের পূর্বে ৫ দিন ও পরের ৩ দিন গণপরিবহন নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও কোরবানির পশুবাহী ট্রাক ব্যতীত সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ ও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে কম্প্রোমাইজ নয়। প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। করোনাভাইরাস জনিত রোগ বিস্তার রোধে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রণীত গাইড লাইন/স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করে যাত্রীসহ নৌযান চলাচলের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।