করোনা প্রতিরোধে আশাশুনিতে পৃথক অভিযানে ছয় ব্যবসায়ীকে জরিমানা

দরগাহপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলী
দরগাহপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান শেখ মিরাজ আলী

করোনা প্রতিরোধে দরগাহপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান তার এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেনঃ

প্রিয় ৪নং দরগাহপুর ইউনিয়ন বাসী মনে করে দেখুন আজ হতে ২০ দিন আগে ইতালির অবস্থা এবং আজকের বাংলাদেশের অবস্থা একই রকম ছিলো,তাই আগামী ২০ দিন পরে বাংলাদেশের অবস্থা ভেবে দেখুন কি হতে পারে। তাই আপনারা অযথা হাট-বাজারে আসা থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে যাবেন না। আপনি নিজে নিরাপদ না থাকলে আপনার প্রিয় পরিবার কে নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে না।এই মরণ ঘাতক করোনাকে ভয় না পেয়ে সতর্কতা হউন। আপনার সচেতনতাই পারে আপনার ও আপনার পরিবারের সদস্যদের কে নিরাপদে রাখতে। অনুরোধক্রমে, শেখ মিরাজ আলী, চেয়ারম্যান ৪নং দরগাহপুর ইউনিয়ন পরিষদ, আশাশুনি, সাতক্ষীরা।

বি এম আলাউদ্দীন আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা বাজার ও বুধহাটা বাজারে করোনা ভাইরাসের কারণে হঠাৎ নিত্য পন্যের দাম বৃদ্ধি করা, দোকানে মূল্য তালিকা না থাকায়, সিগারেটের বিজ্ঞাপন দেওয়া ও চায়ের দোকান খোলা রাখায় বুধবার বিকালে ভ্রাম্যমান আদালতে ছয় ব্যবসায়ীকে ৪হাজার ৭শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গোয়ালডাঙ্গা বাজারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর আলিফ রেজা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে আবুল হোসেনকে ৫শত টাকা, সুভাষ দে কে ১হাজার ও বড়দল বাজারের চায়ের দোকানী আমিনূরকে ২শত টাকা জরিমানা করেন।

অপরদিকে, বুধহাটা বাজারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউট ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সুলতানা বুধহাটা বাজারের দীনবন্ধু ভান্ডারকে ১হাজার টাকা, আল-আমিন স্টোরকে ১হাজার টাকা ও ব্যবসায়ী শেখ ওয়াজেদ আলীকে ১হাজার টাকা জরিমানা করেন। এসময় বাজারের সকল ব্যবসায়ীকে নির্দেশনা না মেনে পন্যের দাম বাড়ালে ও দোকানের মূল্য তালিকা না থাকলে পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান। সর্বশেষ তারা বিদেশ থেকে আশা ব্যক্তিদেরকে হোম কোরেন্টাইনে থাকা ও চায়ের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। পৃথক পৃথক স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে এসময় বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম মোল্যা, ইউনিয়ন (ভূমি) সহকারী কর্মকর্তা রনজিত কুমার মন্ডল, অফিস সহকারী আব্দুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।